জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় নাশকতা, নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং খাদ্য গুদামে আগুন দেওয়ার অভিযোগে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ৩০ নেতা-কর্মীর নামে মামলা করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যেই, তাদের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে মেলান্দহ পৌর শহরের শাহজাদপুর এলাকা থেকে পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম রেনু (৫০), আব্দুল আজিজ (৪৫), পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ফাহাদুজ্জামান নবীন (৩২) ও বিএনপি কর্মী সামিউল (২৬) ও ছামিদুলকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলায় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে শাহজাদপুর এলাকার আমিনুল ইসলাম রেনুর বাড়ির পাশে ফাঁকা জায়গায় জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নাশকতা, নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা খাদ্য গুদামে অগ্নিসংযোগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করার জন্য একত্রিত হয়েছিল। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব নুরল আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘দলীয় নেতা -কর্মীদের হয়রানিমূলক, মিথ্যা, বানোয়াট মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বিএনপির নেতা-কর্মীদের আটক করে ও মিথ্যা মামলা দিয়ে আন্দোলন ঠেকানো যাবে না। অবিলম্বে নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘তারা নাশকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিল। এ ঘটনায় ৩০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে’।