একবার মেসি আক্রমণে যান তো পরক্ষণেই আবার ডি মারিয়া। কম যান না জুলিয়ান আলভারেজও। তাদের দাপটে বল যেন পোল্যান্ডের সীমানা ছাড়া করাই যায় না। কিন্তু গোলের দেখা মিলে না। এভাবেই আর্জেন্টিনার একের পর এক আক্রমণে সময় গড়িয়ে যায়। খেলার সময় যখন ৩৭ মিনিট, তখন গোলের মোক্ষম সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা।
আলভারেজের বাড়ানো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে মেসির মুখে হাত চালিয়ে দেন শেজেনি। ভিএআর চেক করার পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। আর তাতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্ট করে দেন পোলিশ গোলরক্ষক। মেসির শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁচান তিনি।
গোল মিস করলেও আর্জেন্টিনার আক্রমণের ধার এতটুকুও কমেনি। একের পর এক আক্রমণ চলতেই থাকে। কিন্তু গোল নামক সোনার হরিণের দেখা তবু মিলে না।
খেলার ৬৬ শতাংশ সময় নিজেদের পায়ে বলের দখল রেখেছিলেন মেসিরা। তারমধ্যে প্রতিপক্ষে প্রান্তে ১২ বার শট খেলেছেন। যার মধ্যে ৭টি শটই ছিল গোল পোস্ট লক্ষ্য করে। অন্যদিকে মাত্র ৩৪ শতাংশ সময় বলে দখল নিজের পায়ে রাখতে পারা পোল্যান্ড মাত্র দুটি শট নিয়েছে। যার কোনোটিই ছিল না লক্ষ্য বরাবর।