দুই দিন আগেই স্টেডিয়াম ৯৭৪-এ পোল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সে রাতে ২-০ গোলে জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোয় নাম লেখান লিওনেল মেসিরা। সেই ম্যাচে ৪৮ ঘণ্টা পার হতে না হতেই ফের মাঠে নামছে আর্জেন্টাইনরা। তবে এবার গ্রুপ পর্ব নয়। সরাসরি নকআউট পর্ব শুরু হচ্ছে আজ থেকে। হারলেই বিদায়ের পর্বের প্রথম দিনেই আর্জেন্টিনা খেলতে নামবে ক্লান্তি নিয়ে। সঙ্গে আছে চোটের শঙ্কা।
আজ শনিবার রাত ১টায় কাতারের আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে কঠিন সমস্যায় আর্জেন্টিনা। ঊরুর চোটের কারণে অনিশ্চিত ডি মারিয়া। শুরুর একাদশে নাও থাকতে পারেন তিনি। তবে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের সম্ভাব্য একাদশে আছে ডি মারিয়ার নাম।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই চোটের মিছিলে সামিল হয়েছিলেন ফুটবলাররা। শেষ মুহূর্তে চোট পেয়ে ছিটকে যান মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো। এছাড়া পাওলো দিবালাও চোটের কারণে ছিটকে গেছেন বিশ্বকাপ থেকে। এবার টুর্নামেন্টের মাঝপথে ঊরুতে চোট পেয়ে গত ম্যাচে মাঠ ছেড়েছিলেন ডি মারিয়া। সেই শঙ্কা নিয়েই আজও খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা।
চোটের শঙ্কা থাকলেও একাদশ মোটামুটি নিশ্চতই আর্জেন্টিনা দলের। তবে তাদের দুশ্চিন্তা আছে টানা খেলার ধকল নিয়ে। মাত্র দুদিনের বিরতি দিয়ে দুটো কঠিন ম্যাচ খেলতে হচ্ছে আর্জেন্টিনার। ফুটবলারদের ক্লান্তির বিষয়টি বিবেচনায় এনে দলে শেষ মুহুর্তে পরিবর্তন আনতে পারেন স্ক্যালোনি।
এক্ষেত্রে আর্জেন্টাইন উইঙ্গার ডি মারিয়াকে শুরুর একাদশে নাও দেখা যেতে পারে। তিনি না থাকলে ফিরতে পারেন লাউতারো মার্টিনেজ। আগের ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন ৭৯ মিনিটে। তার সঙ্গে শেষ ষোলোর ম্যাচটি মূল একাদশে ফিরতে পারেন রাইটব্যাক নাহুয়েল মলিনা। যদিও প্রথম ম্যাচে মূল একাদশে ছিলেন তিনি। চোখে পড়ার মতো কোনো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি।
এছাড়া গিদো রদ্রিগেজ বা এনজো ফার্নান্দেজের মধ্যে যেকোনো একজন শুরুর একাদশে জায়গা পেতে পারেন। এক্ষেত্রে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে। লেফট ব্যাকে অ্যকুনার পরিবর্তে খেলছেন তাগলিয়াফিকো, এটা নিশ্চিত। রক্ষণে মলিনার সঙ্গে ক্রিস্টিয়ান রোমেরা ও ওটামেন্ডিও নিশ্চিত। মিডে এনজোর সঙ্গে থাকতে পারেন আগের ম্যাচের তারকা ম্যাক অ্যালিস্টার ও ডি পল। মেসির সঙ্গে পারফেক্ট নাইনে থাকবেন আলভারেজ।