বিশ্বকাপে লাতিন কোনো দলকে হারাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া

অশেনিয়া মহাদেশের দল অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপে খেলে এশিয়ার প্রতিনিধি হয়ে। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে তারা হারিয়েছে ইউরোপ ও এশিয়ার অনেক দেশকে। কিন্তু কখনও লাতিন কোনো ফুটবল দলকে হারাতে পারেন। আজ শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে তারা। সুযোগ সেই খরা ঘোচানোর। অন্যদিকে আর্জেন্টাইনদের চ্যালেঞ্জ সেই ধারা অব্যাহত রেখে শেষ আট নিশ্চিত করা।

বিশ্বকাপে ষষ্ঠবার পদচারণা অস্ট্রেলিয়ার। ১৯৭৪ সালে প্রথমবার অংশ নিয়েছিল তারা। তারপর ৩২ বছরের বিরতি। ২০০৬ সালে প্রত্যাবর্তনের আসরেই উত্তির্ণ হয় শেষ ষোলোয়। সেবার অনেক কসরৎ করেই যেতে হয়েছিল। তবে এবার ডেনমার্ক ও তিউনিশিয়াকে হারানোই বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি জয় তাদের। তারা হারিয়েছে সার্বিয়া ও জাপানকে। ইউরোপের দল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ড্র করেছিল জার্মান বিশ্বকাপে। এছাড়া একবার লাতিন দল চিলির বিপক্ষে করেছিল ড্র। এটাই তাদের ‍টুর্নামেন্টের সাফল্য। কিন্তু লাতিন কোনো দলকে এখনও হারাতে পারেনি তারা।

দুই দল শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল ২০০৭ সালে। ১৫ বছর পর আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়ামে আজ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয় পেলেই প্রথমবারের মতো তারা জায়গা করে নেবে কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে অতীত পরিসংখ্যান থাকবে লিওনেল মেসিদের পক্ষেই। 

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আজ আর্জেন্টিনা খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এর আগে সাত দেখায় আর্জেন্টিনা হেরেছে একটি, ড্র এক ম্যাচে। বাকি পাঁচটিতে জয় আলবিসেলেস্তেদের। আর্জেন্টিনাকে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্লে-অফ খেলতে হয়েছিল। এই একবারই প্লে-অফ খেলে আর্জেন্টিনা। প্লে-অফে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার।

প্লে-অফের প্রথম ম্যাচে সিডনি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া ও আর্জেন্টিনার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। আর্জেন্টিনার আবেল বালবো ৩৭ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাঁচ মিনিট পর সেটি শোধ দেন অরেলিও ভিদমার। ফিরতি লেগ হয়েছিল বুয়েনস আয়ার্সে। সেখানে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারায় অস্ট্রেলিয়াকে। তবে গোলটি কোনো আর্জেন্টাইন করেননি।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স টোবিন করেছিলেন আত্মঘাতী গোল। এই দুই ম্যাচেই খেলেছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পাওয়া আর্জেন্টিনা ১৯৯৪ আসরে বাদ পড়েছিল শেষ ষোলোতে।