হাসপাতালে ভর্তির আগে ‘করোনা আক্রান্ত ছিলেন’ পেলে

পেলের শারীরিক অবস্থা নিয়ে যখন ভক্তদের মাঝে উদ্বেগ, তখন মুখ খুললেন এই কিংবদন্তির কন্যা ফ্লাভিয়া নাশ্চিমেন্টো। পেলেকে প্যালিয়েটিভ কেয়ারে স্থানান্তরের খবরকে অসত্য বলে দাবি করেছেন তিনি।

এদিকে সূত্রের বরাদ দিয়ে ইএসপিএন জানিয়েছে, হাতপাতালে ভর্তির আগে করোনা আক্রান্ত ছিলেন পেলে। তার হৃৎস্পন্দন ছিল স্বাভাবিকের নিচে।

৮২ বছর বয়সী পেলে দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে পেলের কোলন টিউমার অপসারণ করা হয়। এরপর থেকে কেমোথেরাপি চলছে তার।

গত মঙ্গলবার হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা ও শরীর ফুলে যাওয়ায় সাও পাওলোর একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় পেলেকে।

ইএসপিএন জানাচ্ছে, ১৭ নভেম্বর পেলে করোনা পরীক্ষা করান। ব্যথা ও জ্বর নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ সেবনও করেন। সূত্রের বরাদ দিয়ে ইএসপিএন আরও বলছে, পেলেকে হাসপাতালে ভর্তির অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে ছিল করোনায় আক্রান্ত হওয়া।

হাসপাতালে ভর্তির পর পেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় জানান, তিনি ভালো আছেন। রুটিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

তবে দুদিন আগে ব্রাজিলের সংবাদপত্র ‘ফোলহা ডে সাও পাওলো’ জানায়, কেমোথেরাপি কাজ করছে না পেলের শরীরে। তাকে রাখা হয়েছে ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার’-এ। এই খবরে সারা বিশ্বে পেলে ভক্তদের মাঝে তৈরি হয় উৎকণ্টা।

পেলে রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও একটি পোস্ট করেন। সেখানে নিজে শক্ত আছেন বলে জানান তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী তারকা।

লিখেন, ‘প্রিয় বন্ধুরা, প্রত্যেককে বলব আপনারা শান্ত এবং ইতিবাচক থাকুন। আমি শক্ত আছে। চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতোই আছি।’

এরপর গ্লোবে টিভিকে পেলে কন্যা নাশ্চিমেন্টো জানিয়েছেন, তার বাবাকে প্যালিয়েটিভ কেয়ারে নেওয়ার খবর ভিত্তিহীন।

আরও পড়ুন

পেলেকে প্যালিয়েটিভ কেয়ারে নেওয়ার খবর অসত্য, দাবি মেয়ের