প্রথমার্ধেই কোরিয়াকে গুড়িয়ে বিরতিতে ব্রাজিল

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল কোরিয়া। তবে সেই জয় নিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর না তুলে বিশ্বকাপের দল বলে আলাদা সমীহ করেছিলেন থিয়াগো সিলভা। তাদেরকে বধের ছকটাও কষেন সেভাবেই। সঙ্গে বাড়তি পাওনা নেইমারের ফিরে আসা। তাতে প্রথমার্ধেই কোরিয়াকে গুড়িয়ে দিয়েছে তিতের শিষ্যরা। ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছেন তারা।

ম্যাচের শুরুতেই রাফিনহার পাসে কোরিয়ার জালে বল জড়ান ভিনি জুনিয়র। ৭ মিনিটের মাথাতেই গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। রাফিনের দেওয়া পাসটা সুন্দর করে বক্সের ভেতরে আগলান। অনেকটা সময় নিয়ে ঠান্ডা মাথায় বলটা জালে জড়ান। তাতে এগিয়ে যায় তিতের শিষ্যরা।

এর তিনিট পর আসে বড় সুযোগ। খেলার ১০ মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। রিচার্লিসনকে বক্সের ভেতরেই ফাউল করেছিলেন কোরিয়ান ফুটবলার। তাতেই পেনাল্টি শটের সুযোগ পায় হলুদ-নীলরা। সেই শট নেন নেইমার। ১৩ মিনিটে সেই শট থেকে গোলটা কাতার বিশ্বকাপেও নেইমারের প্রথম গোল। যে গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল।

খেলার সময় তখন গড়িয়েছিল ২৯ মিনিটে। তখনই দুর্দান্ত স্কিল দেখা গেল রিচার্লিসনের। মাথায় বল নিয়ে জাগলিং করে সতীর্থদের সঙ্গে অনবদ্য পাস খেললেন। সেখান থেকে বল তার পা থেকে দিলেন সতীর্থ থিয়াগো সিলভাকে। অধিনায়কের পাস গোল করলেন রিচার্লিসন।

তার গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে গেছে ব্রাজিল। এই গোলের পর উল্লাস করেছেন সতীর্থদের সঙ্গে। উচ্ছাসের মাত্রাটা এতই বাঁধভাঙা ছিল যে, রিচার্লিসন চলে যান মাঠ থেকে টাচলাইনে। সেখানে কোচ তিতেসহ সাইডবেঞ্চে থাকা সতীর্থদের সঙ্গে মেতে উঠেন সাম্বা নৃত্যে।

তার ৭ মিনিট পর আবারও গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ভিনি জুনিয়রের অ্যাসিস্টে গোল করেন লোকাস পাকেতা। তাতে ৩৬ মিনিটেই চার গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।