আম পাকে বৈশাখে, কুল পাকে ফাগুনে/কাঁচা ইট পাকা হয় পোড়ালে তা আগুনে। সুকুমার রায় তার ‘পাকাপাকি’ ছড়ায় এমনটাই বলেছিলেন। টক বরই নাম শুনলে কার না জিবে জল আসে। সাধারণত ফাল্গুন মাসে বরই পাকে। তখন বাজারে প্রচুর বরই পাওয়া যায়। টক বরইয়ের দাম থাকে তখন ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। তবে টাঙ্গাইলের সখীপুরের সিদ্দিক হোসেন ব্যতিক্রমী চাষি। তিনি আগাম টক বরইয়ের চাষ করছেন।
ফলে নভেম্বর মাসের শুরুতেই বাজারে আসতে শুরু করে সিদ্দিক হোসেনের টক বরই। এখন এক কেজি টক বরই ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করছেন। নভেম্বর মাসে তিনি ১২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করেছেন। ফলে তিনি বরই চাষে আয় করছেন বেশি।
সিদ্দিক হোসেন সখীপুর উপজেলার নিজ গ্রাম ইন্দারজানী টিকুরিয়া চালা ছাড়াও আশপাশের আরও ৩টি বাগানসহ মোট ২৭ একর জমিতে ৪টি টক বরইয়ের বাগান করেছেন।
উপজেলার গড়বাড়ীতে তিন একর, জমশেরনগর চার একর, শিরীরচালায় ছয় একর, শ্রীপুর চকচকিয়া এগার একর ও নিজ বাড়ির আশপাশের তিন একর জমিতে মোট প্রায় ৫ হাজার বরই গাছ লাগিয়েছেন।
এ বছর প্রায় সব গাছেই বরই ধরেছে। প্রতিদিন প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মণ বরই বিক্রি করছেন। তার প্রায় ৫ হাজার গাছে প্রচুর বরই আসায় এ মৌসুমে তিনি কমপক্ষে এক কোটি টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন।
বিস্তারিত ভিডিওতে ...