নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মহিউদ্দিন মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা বেধড়ক লাঠিপেটা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ডিবি সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফতুল্লার মুসলিমনগর এতিমখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মহিউদ্দিন মিয়াকে মারধরের সময় এলাকাবাসী জড়ো হয়ে মারধরের কারণ জানতে চায়। কিন্তু কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় তারা ডিবি সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখে। এ খবর পেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফতুল্লা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ডিবির এক এসআইসহ ৭ সদস্যকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
আহত ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন বলেন, ‘মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে বের হতেই একজন লোক লাঠি নিয়ে এসে আমাকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। হাতে-পায়ে-পিঠে লাঠি দিয়ে একের পর এক আঘাত করতে থাকে। কিছুক্ষণ পর আরও কয়েকজন এসে আমাকে কুকুরের মতো পেটায়। এসময় বারবার আমার অপরাধ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাম কানে থাপ্পড় দেয়। তখন স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে মারধর করা ব্যক্তিরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। স্থানীয় লোকজন মারধরের কারণ জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর দিতে পারেনি। তখন স্থানীয় লোকজন ডিবি পরিচয়দানকারী ওই ব্যক্তিসহ ৭জনকে অবরুদ্ধ করে রাখে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক মাসুদ রানা বলেন, ‘একজন ব্যক্তিকে কী কারণে ডিবির এসআই হাসান জামিল লাঠিপেটা করেছে বিষয়টি জানা নেই। তবে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনদের শান্ত করে এসআই হাসান জামিল ও তার সঙ্গের ফোর্সদের উদ্ধার করেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’