৮ ঘণ্টার বেশি সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে আটকে আছে যানবাহন। এতে করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ১টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল ৮ টা থেকে সাড়ে ৯ পর্যন্ত জিরো পয়েন্ট হতে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের এলাকাজুড়ে যাত্রীবাহী পরিবহন ও পণ্যবোঝাই ট্রাকের সারি। এ সময় আরও দেখা যায়, ৭ নম্বর ঘাটের পন্টুন থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত বাস ও ট্রাকের সারি।
ফেরি চলাচল বন্ধের সময় কথা হয় রাবেয়া পরিবহনের সুপারভাইজারের সাথে। তিনি দেশরূপান্তরকে বলেন, সকাল ৭টার দিকে রাজবাড়ী থেকে তাদের বাস ছেড়ে আসে, ফেরি বন্ধের কারনে অন্যান্য বাসের সাথে আটকা পরে তাদের বাস, তবে ফেরিতে উঠতে পারলেও এখন অপেক্ষা কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চালুর জন্য।
পুর্বাশা পরিবহনের চালক দেশ রূপান্তরকে জানান, ভোরে ঘাটে আটকা পরে তাদের বাস। আগের মত দীর্ঘ সারি না থাকলেও শীতের জন্য যাত্রীদের সমস্যা হচ্ছে। আশেপাশে আগের মতো খাবারের হোটেল না থাকায় আরও সমস্যা হচ্ছে। সকাল ৯টা বাজলেও এখনো ফেরি চালু হয়নি, ফেরি চালু হতে বেশি সময় লাগলে বাস ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি তৈরি হতে পারে।
এক কার্ভাডভ্যান চালক দেশ রূপান্তরকে জানান, সেতু চালু হবার পর ভোগান্তি কমলেও কুয়াশার জন্য ফেরি বন্ধ হওয়ায় আমাদের সমস্যা হচ্ছে। রাত ৩টা থেকে ঘাটে অপেক্ষায় আছি ফেরি চালুর জন্য।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, কুয়াশার জন্য রাত থেকেই ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের কিছুটা সারি সৃষ্টি হলেও আগের মত সেই ভোগান্তি নেই ঘাট এলাকায়। পর্যাপ্ত ফেরি ও ঘাট চালু থাকায় ফেরি চলাচল শুরুর পর পর অপেক্ষমাণ যানবাহনের চাপ অনেকটা কমে গেছে। বর্তমানে এই নৌ রুটে ১১টি ফেরি চলাচল করছে।