ঢাকা জেলার তৃতীয় সর্বোচ্চ করদাতা ঠিকাদার হাফিজুর রহমান

ঢাকা জেলার তৃতীয় সর্বোচ্চ করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন ঠিকাদার মো. হাফিজুর রহমান।

রবিবার বিকেলে মেসার্স তুষার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. হাফিজুর রহমান নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে ঠিকাদার মো. হাফিজুর রহমানকে ঢাকা জেলার তৃতীয় সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামালের পক্ষে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল ও বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (এমপি)।

এ সময় অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতেমা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

শ্রেষ্ঠ সর্বোচ্চ করদাতা নির্বাচিত হওয়া হাফিজুর রহমান বলেন, ব্যবসা শুরুর পরের বছর থেকে আমি আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। ব্যবসা বড় হতে থাকলেও কখনই কর ফাঁকি দেয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি। ব্যবসা যত এগিয়েছে, কর দেয়া ততই বাড়িয়েছি। এবার আমি ঢাকা জেলার ৩য় সর্বোচ্চ করদাতা নির্বাচিত হলাম।

সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা প্রদান করায় ঠিকাদার মো. হাফিজুর রহমান সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি মনে করি, রাষ্ট্রের সঙ্গে কখনই সম্পদের হিসাব গোপন রাখা উচিত নয়। তিনি দেশের স্বার্থে সকলকে নিজ নিজ স্থান থেকে কর দেয়ার জন্য আহ্বান জানান এবং সকলের দোয়া চান যাতে ভবিষ্যতেও তিনি দেশের উন্নয়নের এ ধারায় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখতে পারেন।

হাফিজুর রহমান জন্মসূত্রে সাভার কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের বাসিন্দা। এটি তার বাবার কর্মস্থল হওয়ায় ছোটবেলা থেকে এখানকার পরিবেশে বেড়ে ওঠেন।

তিনি মৃত হাজী ইদ্রিস মিয়া ও মৃত সফুরা খাতুন দম্পতির পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে তৃতীয় সন্তান। বর্তমানে তিনি সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের ভাটপাড়া মহল্লায় তিন মেয়ে ও স্ত্রী জামশেদা আক্তারকে বসবাস করছেন।

ঠিকাদার হাফিজুর রহমান ১৯৯৬ সালে মেসার্স তুষার এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে স্টেশনারি ও ক্রোকারিজ মালামাল সরবরাহের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন।

এরপর সাভার মিলিটারি ফার্ম, ছাগল উন্নয়ন খামার সাভার, পশু খাদ্য কারখানা, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন দুগ্ধ খামার এবং বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ ইনস্টিটিউটসহ বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে প্রাণী ও পোলট্রি খাদ্য সরবরাহ করে আসছেন।