অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে ঢাকার আরও ১৫টি পরিবহন কোম্পানির বাসে আজ মঙ্গলবার থেকে ই-টিকেটিং চালু হচ্ছে। এ কোম্পানিগুলোর বাসের সংখ্যা ৭১১টি। এ ১৫টি কোম্পানি মোহাম্মদপুর, গাবতলী ও আজিমপুর থেকে ঢাকার বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করে।
গতকাল সোমবার রাজধানীর ইস্কাটনে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান সংগঠনের মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।
এর আগে প্রথম ধাপে রাজধানীর মিরপুরকেন্দ্রিক ৩০টি বাস কোম্পানিকে ই-টিকেটিংয়ের আওতায় আনা হয়। দ্বিতীয় ধাপের ১৫টি মিলিয়ে ৪৫টি কোম্পানির বাসে ই-টিকিট ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘ঢাকা শহর ও শহরতলি রুটের বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম দূর করার জন্য আমরা পরীক্ষামূলকভাবে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর মিরপুরভিত্তিক ঢাকার ৮টি পরিবহন কোম্পানি এবং ১৩ নভেম্বর ২২টি পরিবহন কোম্পানিসহ মোট ৩০টি পরিবহন কোম্পানির মোট ১ হাজার ৬৪৩টি গাড়িতে ই-টিকেটিং পদ্ধতি চালু করেছি। এতে ৩০টি কোম্পানির ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ গাড়িতে ই-টিকেটিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে। আর বাকি গাড়িগুলোতে তা কার্যকর করার লক্ষ্যে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির ৩টি ভিজিল্যান্স টিম প্রতিদিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া সমিতির নিয়োগ দেওয়া ৯ জন স্পেশাল চেকার প্রতিদিন রোডে মনিটরিং করছেন। যেসব গাড়ি এখনো নিয়মের মধ্যে আসেনি তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাত্রীদের অভিযোগ ই-টিকেটিংয়ে টিকেটিং দূরত্ব অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিলোমিটারের উল্লেখ নেই। কিলোমিটার উল্লেখ করে ভাড়ার চার্ট তৈরি করার জন্য আমরা ইতিমধ্যে বিআরটিএকে অনুরোধ জানিয়েছি। ভাড়ার চার্ট তৈরি করা হলে ডিভাইসে কিলোমিটার উল্লেখ করে দেওয়া হবে।’
যে ১৫ কোম্পানির বাসে ই-টিকেটিং চালু হচ্ছে : মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ, স্বাধীন লাইন পরিবহন, দেওয়ান এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, মালঞ্চ পরিবহন লিমিটেড, তরঙ্গ প্লাস ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড, আলিফ এন্টারপ্রাইজ (১), আলিফ এন্টারপ্রাইজ (২), অভিনন্দন ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড, বিকাশ পরিবহন লিমিটেড, গাবতলী এক্সপ্রেস লিমিটেড, মেঘলা ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, ভিআইপি অটোমোবাইলস লিমিটেড, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, মিডলাইন পরিবহন লিমিটেড এবং স্বপ্ন পরিবহন লিমিটেড।