নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পিঠা উৎসব করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় পিঠা উৎসব শুরুর কথা থাকলেও এটি শুরু হয় সাড়ে ১১টায়। উৎসবে অংশ নিতে সকালেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা।
একদিকে যখন নানান আয়োজনে হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে চলছিল পিঠা উৎসব, অন্যদিকে একই সময়ে রোগীদের সেবা কার্যক্রমে ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকালও হাসপাতালে সেবা নিতে আসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রোগীরা। দুপুর ১২টার আগেই আউটডোর থেকে হাওয়া হয়ে যান সব ডাক্তার। কারণ, এ সময় হাসপাতালেই জাঁকজমকপূর্ণভাবে চলছিল পিঠা উৎসব। এ ঘটনা রোগী ও সঙ্গে আসা স্বজনদের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। হাসপাতাল প্রাঙ্গণেই বিষয়টি নিয়ে নানান আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রোগী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে পিঠা উৎসবএমনটা জীবনে প্রথম দেখলাম!’ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খান মোহাম্মদ নুরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি কোনো সরকারি প্রোগ্রাম নয়, ঘরোয়া অনুষ্ঠান। এটা তো সব জায়গায় করা যায়। আমরা তো সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখিনি। এটা নেগেটিভভাবে নেওয়ার কিছু নেই।’