‘কেরী সাহেবের মুন্সী’ বইটি প্রায়ই পড়ি

শোবিজ তারকারা দর্শকদের বিনোদনের জন্য কাজ করেন। কিন্তু তারা কীসে বিনোদিত হন? তা নিয়ে এই আয়োজন

আফজাল হোসেন

অভিনেতা ও নির্মাতা

এখন দুনিয়া আমাদের হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা আজ সহজেই বিশ^শিল্প সাহিত্য নিয়ে অনায়াসেই জানতে পারি, যা আমাদের তরুণ বয়সে কল্পনাও করা যেত না। তাই আমি এই প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করি। আমি সারা বিশ্বের বিভিন্ন লেখকের বই পড়ি, বিভিন্ন পেইন্টারের চিত্রকর্ম দেখি, বিভিন্ন শিল্পীর অভিনয় দেখি, গান শুনি। কিন্তু প্রিয় অথবা মুগ্ধতার কথা বলতে গেলেই সবাই কেমন যেন গণ্ডির মধ্যে আটকে যান। সবাই শুধু বিখ্যাত লোকদের কথাই বলতে চান। কিন্তু তার বাইরেও যে কত দারুণ শিল্পকর্ম হচ্ছে, তা কেউ কাউকে জানাতে আগ্রহবোধ করে না। ফলে আমার বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে আমি নির্দিষ্ট কারও নাম বা নির্দিষ্ট কোনো শিল্পকর্মের কথা বলতে পারব না। নিজে যেহেতু অভিনয়ের পাশাপাশি ছবি আঁকি, তাই পিন্টারস্ট নামের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনেক ধরনের পেইন্টিং দেখি। আর তাতে মুগ্ধ হই, কত ধরনের চিত্রকর্ম হচ্ছে। নিয়মের বলয় ভেঙে আর্টিস্টরা কত ধরনের কাজ করছেন। আর বইয়ের কথা বলতে গেলে, এমন কিছু বই আছে যেগুলো কিছুদিন পরপরই পড়তে ইচ্ছে করে। তেমনি একটি বই প্রমথনাথ বিশী রচিত উপন্যাস ‘কেরী সাহেবের মুন্সী’। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে। বইটির মূল উপজীব্য উইলিয়াম কেরি ও রামরাম বসুর পারস্পরিক সম্পর্ক এবং অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগের কলকাতা শহরের ইতিহাস ও ইংরেজ-বাঙালি সম্পর্কের জটিল সাংস্কৃতিক সম্পর্ক।