কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটোরিকশা চালক রাশেদ মিয়া (১৮) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
গত ১৯ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার এলাকার বোয়ালজুরি খালের পাশের ফসলি জমি থেকে উদ্ধার করা হয় রাশেদের লাশ। ঘটনার পর তদন্তে নামে পুলিশ। ১৩ দিনের মাথায় হত্যাকারী সন্দেহে খাইরুল আলম শাকিলকে (২৭) আটক করে তারা।
আটক শাকিল উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ধনুসাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম জানান, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ হত্যাকারীকে ধরতে মাঠে নামে এবং গুপ্তচর নিয়োগ করে। এ ছাড়া মুন্সীরহাট বাজার থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত বিভিন্ন রাস্তা ও বাজারে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে রাশেদের হত্যাকারী হিসেবে শাকিলকে শনাক্ত করে।
বুধবার দুপুরে থানা হলরুমে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার।
শাকিলকে পুলিশ তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে জানায়, ধারের ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় সে রাশেদের অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুয়ায়ি ২৭০টাকা ভাড়া ঠিক করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ সময় ধ্বস্তাধ্বস্তির এক পর্যায়ে শাকিল রাশেদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই রাশেদের মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কর্দমাক্ত চাকু এবং তার বাড়ী থেকে হত্যাকাণ্ডের দিন পরিধেয় কাপড় উদ্ধার করে।