নানা অনুষ্ঠানে চলছে ব্র্যাকের হোপ ফেস্টিভ্যালের সমাপনী দিন

'যে পৃথিবী আমরা গড়তে চাই’— প্রতিপাদ্যে চলছে ব্র্যাকের হোপ ফেস্টিভ্যালের সমাপনী দিন। দিনভর বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম, সামাজিক ব্যবসা, বিনিয়োগ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উদ্যোগসহ দেশে-বিদেশের সামগ্রিক কার্যক্রম (ইকোসিস্টেম) তুলে ধরছে এই ফেস্টিভ্যাল।

এদিন সকাল ১১টায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় আর্মি স্টেডিয়ামের গেট। অনুষ্ঠান চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।

এর আগে, বেলা ১২টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। প্রথমে নাচ, গান আর কবিতা আবৃত্তি। এর পর একটি প্যানেল আলোচনা। বিষয় সাসটেইনেবিলিটি : ক্লাইমেট চেইঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডাপটেশন স্ট্র্যাটেজিস। আলোচক ছিলেন ব্র্যাকের নির্বাহী আসিফ সালেহ, বেলার নির্বাহী অ্যাডভোকেট সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, জয়নব ফারুকী আলী, খন্দকার হাসিবুল কবির, মো. লিয়াকত আলী এবং এমারেল্ড উপমা বৈদ্য। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন ইফতেখার মাহমুদ।

পৌনে ৩টায় ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা, ৩টা ৪০-এ শুরু হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান- তাগা আউটস্ট্যান্ডিং ইয়ং প্রফেশনালস অ্যাওয়ার্ড।

বিকাল ৪টা ২০ এ শুরু হয় বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান, সাউন্ডস অব চেইঞ্জ। এতে অংশ নেন চন্দনা মজুমদার, মাশা ইসলাম, সিঁথি সরকার এবং সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা। এর পর শুরু হয় আমরা নতুন ইয়ং চেইঞ্জ মেকারস অ্যাওয়ার্ড। প্রথম বিজয়ী নাঈম মোল্লা। তিনি ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী। তিনি ওয়াশরুমে সুযোগ সুবিধা নিয়ে কথা বলেন। নাইম ও তার দল প্রতিবন্ধীদের জন্য কমপক্ষে একটি ওয়াশরুম সুবিধা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।

শাহরিয়ার কবীর ফাহিম। ঢাবির কমিউনেকশন ডিসঅর্ডারের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তিনি আর তার দল ৫০০ পরিবারে বিনামূল্যে স্পিস থেরাপি দেন। মো. শাকিল খান। সিভাসুর এনিমল অ্যান্ড ফিসারিজের ছাত্র। শহরের স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের অসুবিধা দূর করতে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রান্তিক কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছেন।