আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবির্ভাব হয়েছিল বিএনপির দুঃশাসন ও নির্বাচনে কারচুপি করার জন্যে। আপনারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচন দেখেছেন, আপনারা ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালের প্রথম দিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখেছেন, এই অপকর্মের জন্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্ম।
তিনি আজ রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের ব্যাপক সংস্কার কাজ শেষে নব-অভিযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে এক সুধী সমাবেশে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এ দেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার সম্ভাবনা নেই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার কারণেই এটা সম্ভব না। তাই এ দেশে সকল নির্বাচন সংবিধানের অধীনেই হবে। তিনি এ সময় বিএনপি নেতাদের কটাক্ষ করে বলেন, তারা দেশের সংবিধান পড়েন না পড়েন আর্মি অ্যাক্ট।
আইনমন্ত্রী বলেন, যৌক্তিক কোনো দাবির ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কোনো সমস্যা নাই, জননেত্রী শেখ হাসিনারও কোনো সমস্যা নাই। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়ে কোনো প্রকার আপস করা যাবে না। এ দেশে থাকতে হলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধেও চেতনাকে মেনেই থাকতে হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন জামির সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি উকিল আব্দুস সাত্তার ভূইয়া, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আল মামুন সরকার, পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন ও পৌর মেয়র নায়ার কবির, ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবের সদস্যসচিব জাবেদ রহিম বিজন, সিনিয়র সহসভাপতি পীযুষ কান্তি আচার্য, সহসভাপতি ইব্রাহিম খান সাদত ও কোষাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম শাহজাদা।
এর আগে, আইনমন্ত্রী প্রেস ক্লাবের ফিতা কেটে ও ফলক উন্মোচন করে সংস্কার কাজ শেষে নবযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করেন।