‘ভালো ছাত্রী, ভালো রেজাল্ট, কাজেই বিসিএস অথবা একটা ভালো চাকরি অথবা একটা ভালো বিয়ে এই ছিল আমার কাছ থেকে পরিবারের প্রত্যাশা। কিন্তু আমি হাঁটলাম ভিন্নপথে। তার জন্য অনেক বঞ্চনা, গঞ্জনা পাওয়া হলো জীবনে। ইংরেজিতে এম এ পাস করে অভিনয়ে গিয়ে জীবনটাই নাকি নষ্ট করে দিলাম! শিল্পকলার পরিচালক পদে নিয়োগপ্রাপ্তি আমাকে যেমন, তেমন আমার পরিবারকে ভীষণ খুশি করেছে। শুনলাম বাবা নাকি মিষ্টি খাইয়েছে তার বন্ধুদের। ফোনে ভাই-বোনের কণ্ঠ খুশিতে আটখানা! বোন বলল, তুমি এটাই ডিজার্ভ করো, আমরা তোমার কাছ থেকে এমনটাই আশা করি! আর মা তো কবে থেকেই আশীর্বাদ করে যাচ্ছেন! নতুন যাত্রার প্রথম দিনের এই ছবিটি প্রথম অফিসের সামনে তুলে পরিবারকে উৎসর্গ করলাম। তবে ভিন্নপথে হাঁটা চলবে... এত ভালোবাসায় ভাসিনি কখনো! এ আমার পরম পাওয়া। শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হিসেবে আমার নিয়োগের রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন বের হওয়ার পর থেকে দেশের আনাচে-কানাচে, আমার নিজের এলাকা ও বিদেশ থেকে অগণিত মানুষের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছি আমি। আপনাদের এই শুভেচ্ছা আমার পাথেয় হয়ে থাকবে, আমি অভিভূত! আপনাদের ভালোবাসা আর এত বড় দায়িত্বের চাপ আমাকে নতুন করে অনেক কিছু ভাবাচ্ছে।’
অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের ফেসবুকে গতকাল কথাগুলো লিখেছেন।