১০ দিনের গোনাহ মাফ হয় যে আমলে

ইমাম যখন জুমার খুতবা প্রদান করেন তখন দেখা যায়, কিছু মানুষ গল্প-গুজবে লিপ্ত। প্রায় প্রতিটি মসজিদেই এ দৃশ্য চোখে পড়ে। বিষয়টি না জানা বা না বোঝার কারণে হয়তো এমনটি হয়ে থাকে। এ থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক। খুতবা চলাকালে গল্প-গুজব তো দূরের কথা, আরেকজন কথা বললে তাকে চুপ করতে বলাও নিষেধ। কারণ, দশজনে কথা বললে পাঁচজন যদি তাদের চুপ করতে বলে তাহলে ১৫ জনের আওয়াজ একত্র হয়ে হট্টগোল মতো শোনা যাবে। সাধারণত আরেকজনকে চুপ করতে বলাটা একটু উঁচু আওয়াজেই হয়ে থাকে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘ইমাম খুতবা দিচ্ছেন, এমন সময় যদি তুমি তোমার পাশেরজনকে বলো চুপ করো, তাহলে তুমিও অনর্থক কাজ করলে।’ সহিহ বোখারি : ৯৩৪

সুতরাং খুতবা চলাকালে আমরা কোনো কথা বলব না, বরং নীরব থেকে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনব। তাহলে আল্লাহতায়ালা আমার গত জুমা এবং এই জুমার মধ্যবর্তী সগিরা গোনাহগুলো মাফ করে দেবেন, বরং বিগত দশ দিনের গোনাহ মাফ করে দেবেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে অজু করল এবং জুমায় এলো। এরপর নীরব থেকে মনোযোগসহ খুতবা শুনল। আল্লাহতায়ালা তার গত জুমা ও এই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গোনাহ মাফ করে দেবেন, আরও অতিরিক্ত তিন দিনের গোনাহও মাফ করবেন। আর যে ব্যক্তি নুড়ি স্পর্শ করল সে অনর্থক কাজ করল।’ সহিহ মুসলিম : ৮৫৭