ইরানের পর এবার সিরিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব। সম্প্রতি দেশ দুটি পুনরায় তাদের দূতাবাস চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা আরব বিশ্বে সিরিয়ার প্রত্যাবর্তনের সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হচ্ছে। শুক্রবার (২৪ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এক দশকেরও বেশি আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল সৌদি আরব ও সিরিয়া। ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আসাদবিরোধী বিদ্রোহীদের সমর্থন দিয়েছিল সৌদি আরব। এরপর দেশটি দামেস্কে তার দূতাবাস বন্ধ করে দেয় এবং ২০১২ সালে সিরীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে।
সিরিয়া সংশ্লিষ্ট একটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদি ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক পুনরায় স্থাপনের চুক্তির পর দামেস্ক ও রিয়াদের যোগাযোগ বেড়েছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অন্যতম মিত্র হলো ইরান।
জানা গেছে, রোজার পরে এপ্রিলের দ্বিতীয়ার্ধে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর পুনরায় দূতাবাস চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই দেশের সরকার। যদিও উপসাগরীয় অঞ্চলের এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, সিরিয়ার একজন সিনিয়র গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনার পর দূতাবাস চালুর এই সিদ্ধান্ত এসেছে। এ বিষয়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সিরিয়া সরকার কোনো মন্তব্য করেনি।
এদিকে দীর্ঘ বিরোধিতার পর ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সংকটে এই সম্পর্ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।