আপু, ‘আপনি আমার খুবই পছন্দের অভিনেত্রী, এমন ক্যারেক্টর করার জন্য আপনার মতো শক্তিশালী সংবেদনশীল অভিনেত্রী দরকার!’ ধন্যবাদ জানিয়ে জানতে চাইলাম, নাটকে আমার কয়টা সিন রয়েছে (পূর্ব তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে ভাইয়া)! ওপারে নিস্তব্ধতা, আপু স্ক্রিপ্টটা দেখে বলতে হবে! আমি স্ক্রিপ্ট পাঠাতে বলব, বেশ কিছু সময় পার হয়ে স্ক্রিপ্ট এলো, দেখলাম! জোরাজুরি করে দুটো সিন, না আছে ক্যারেক্টারের কোনো গভীরতা, না শুরু, না শেষ! এমন চরিত্রের জন্য কেন শক্তিশালী সংবেদনশীল অভিনেত্রীকে লাগবে বলতে পারেন? আমার অভিনয় ছাড়া আর কোনো দ্বিতীয় কর্মসংস্থান নেই অর্থ উপার্জনের! কিন্তু নিজের শিল্পীসত্তাকে কষ্ট দিয়ে আগেও পারিনি, কখনোই পারব না অর্থ উপার্জন করতে! আজ পাঁচ বছর ধরে ভিউয়ের বাজারে আমার কোনো অবদান নেই বলে নিজ থেকে সরে এসেছি নাটক থেকে। বিনয়ের সঙ্গে জানিয়েছি অভিনয় করার সুযোগ না দিলে আমাকে খুঁজবেন না। এই ঈদে একটি নাটকেও হ্যাঁ বলতে পারিনি, কারণটা ওপরে উল্লিখিত! আমার বাবা বলতেন, কোণঠাসার কোণেও দরজা থাকে। ২০১৮ সালের পর টানা দুবছর আমি বলতাম আমার রুটিরুজি আমার অভিনয়। সেটা যখন বন্ধ হয়ে গেল, আমি কীভাবে দিন কাটিয়েছি সেটা না হয় আমার জন্যই তোলা থাক। বছরের পর বছর চরিত্রের জন্য বসে থেকে আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলিনি। আরও খুঁজে পেয়েছি, তৈরি করেছি! তৈরি আছি, সর্বদা থাকব!’
বর্তমানে নাটক ইন্ডাস্ট্রিতে বিদ্যমান একটি চরম সত্য এভাবেই ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।