দুই ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি সাটুরিয়া থানা পুলিশ। নির্যাতনের শিকার মোহাম্মদ বরকত ও হযরত আলী গতকাল মঙ্গলবার থানায় মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিচার চেয়ে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিল্লি ইউপির চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম ধলা মাটির ব্যবসা করেন। মাটি পরিবহনে ট্রাক্টর চলাচলের জন্য বাড়ির পাশে সরকারি রাস্তা ব্যবহারে বরকত ও হযরত আলী বাধা দেন। এর জেরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে গত সোমবার তিনজন গ্রাম পুলিশ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আতোয়ার রহমান তাদের তুলে নিয়ে যায়। নিজ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান নিজেই দুজনকে মারধর করেন। এরপর হজরত আলীর হাত পিছমোড়া করে বেঁধে দুই ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখেন। চেয়ারম্যানের লোকজন এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। মারধরের বিষয়ে সাটুরিয়া থানায় মামলা করতে গেলে ওসি তা গ্রহণ করেননি।
সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ^াস বলেন, ‘এ বিষয়ে সরাসরি মামলা নেওয়া যায় না। সাধারণ ডায়েরি করলে আমরা গ্রহণ করব।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।’