বৈশাখের তপ্ত দাবদাহে যেন দাঁড়াতে পারছিলেন না তারকা ক্রিকেটাররা। সাকিব আল হাসান দারুণ শুরু করলেও ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ ও মেহেদি মিরাজরা ফিরে গেছেন ব্যর্থ হয়ে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটা শতক হাঁকিয়ে রাঙিয়েছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। অর্ধশতক করে সঙ্গ দেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। তাতে বড় পুঁজি পায় মোহামেডান। পরে বোলারদের দাপটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ৫২ রানের জয় পেয়েছে মোহামেডান। এই জয়ে টানা ৫ জয়ে সুপার লিগ নিশ্চিত করলো প্রথম ৫ ম্যাচে কোনো জয় না পাওয়া মোহামেডান।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে অঙ্কনের ১২৫ রানের সাথে ইমরুলের ৬৯, মোহামেডান পায় ৬ উইকেটে ২৭৬ রানের সংগ্রহ। জবাবে খালিদ হাসান ও শুভম শর্মার ফিফটিতে জয়ের পথ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত পারেনি শাইনপুকুর। গুটিয়ে গেছে ২২৪ রানে।
৭২ বলে ফিফটি তুলে অঙ্কন সেঞ্চুরিতে পৌঁছান ১১২ বলে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১২৫ বলে ৬ চার ৭ ছক্কায় ১২৫ রানে। শেষদিকে আরিফুল ইসলামের ব্যাটে ২৬ রান। আরিফুল হক অপরাজিত ছিলেন ১২ রানে। শাইনপুকুরের হয়ে সর্বোচ্চ দুইটি উইকেট মেহেদী হাসান রানা ও মাসুম খান টুটুলের।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা মন্দ হয়নি শাইনপুকুরের। দুই ওপেনার খালিদ হাসান ও অভিষেক মিত্র তোলেন ৪৩ রান। ২০ রান করা অভিষেক আউট হলে ভাঙে জুটি। তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ জিসান আলম (৬)। শুরু হয় আসা যাওয়ার মিছিল।
অবশ্য ওপেনার খালিদ হাসান ফিফটির দেখা পান। ৫৭ বলে ৫৬ রান করে আউট হন জ্যাক লিনটটের বলে। সাজ্জাদুল হক রিপন করেন ১৯ রান। ১৪৫ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় শাইনপুকুর। মাঝে মোহামেডানের জয়ের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান শুভম শর্মা।৫৬ বলে তুলে নেন ফিফটি। ৭ম উইকেটে মাসুম খান টুটুলকে নিয়ে যোগ করেন ৬৫ রান।
শুভমকে ফিরিয়ে মোহামেডান শিবিরে স্বস্তি এনে দেন সাকিব। মিরাজকে ক্যাচ দেওয়ার আগে শুভমের ব্যাটে ৭০ বলে ৮ চারে ৬৬ রান। এরপর মিরাজ ফেরান ৩০ রান করা টুটুলকে। ১৪ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে শাইনপুকুর গুটিয়ে গেছে ২২৪ রানে। মোহামেডানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নাজমুল ইসলাম অপুর।