সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে দেশটির আধা সরকারি বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) সংঘর্ষে অন্তত ৫৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ৬০০ জন। রবিবার (১৬ এপ্রিল) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ক্ষমতার দখল নিতে সংঘাতে জড়িয়েছে সুদানের সেনাবাহিনী ও আরএসএফ। উভয়ই দাবি করেছে যে, খার্তুমের বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেখানে রাতভর লড়াই চলেছিল।
সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আরএসএফ প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালোর বাহিনীর সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে না। আধা সরকারি বাহিনীকে ভেঙে দিতে হবে। তাহলে সংলাপ হতে পারে। জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো পলাতক অপরাধী। নাগরিকদের তাদের সঙ্গে কোনো বোঝাপড়া না করার আহ্বান জানানো হয় জানানো হয় বিবৃতিতে।
এদিকে রবিবার সুদানের রাজধানী খার্তুমে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। বেসামরিক নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার্থে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, বেসামরিক সরকার গঠনের অংশ হিসেবে আরএসএফকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী বলছে, আরএসএফকে দুই বছরের মধ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত করা হবে। কিন্তু আরএসএফ বলছে এই একীভূতকরণের প্রক্রিয়া যেন অন্তত ১০ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরএসএফকে একীভূত করলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব কে দেবে এ নিয়েও দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।