ওসিকে গুঁতো মেরে এএসআই প্রত্যাহার

নগরের কোতোয়ালি থানার ওসি জাহিদুল কবীরকে কনুই দিয়ে ধাক্কা মেরে আহত করার অভিযোগে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের দেহরক্ষী এএসআই সন্তুশীলকে ক্লোজড করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নগর পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় এ আদেশ দিয়েছেন।

সিএমপির উপকমিশনার (সদর) মো. আব্দুল ওয়ারিশ জানান, সিএমপির একজন ওসিকে কনুই দিয়ে ধাক্কা মারার অভিযোগে এএসআই সন্তুশীলকে প্রত্যাহার করে নগর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তিনি নগর বিশেষ শাখায় কর্মরত। ২০১৮ সাল থেকে এএসআই সন্তুশীল শিক্ষা উপমন্ত্রীর দেহরক্ষী হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

জানা গেছে, গত ২০ এপ্রিল শিক্ষা উপমন্ত্রীকে নিয়ে একটি কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে ওসি জাহিদুল কবিরকে কনুই দিয়ে ধাক্কা মারেন এএসআই সন্তুশীল। এ ঘটনায় ওসি জাহিদুল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে সিএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার আসিফ মহিউদ্দীনকে নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।

কনুইয়ের ধাক্কায় আহত ওসি জাহিদুল অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। এরপর থানায় গিয়ে এএসআই সন্তুশীলের বিরুদ্ধে অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এএসআই সন্তুশীলের বিরুদ্ধে সোনার বার ছিনতাইয়ে জড়িত থাকারও অভিযোগ আছে। ২০১৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর নগরের হাজারীলেইনে সোনা ব্যবসায়ী দোলন বিশ্বাস তার কাছ থেকে ১০২ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলা তদন্তের সময় বাদী এএসআই সন্তুশীলকে শনাক্ত করার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।