জামালপুরে গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। হবিগঞ্জের লাখাইয়ে আধিপত্য বিস্তারের সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন আরেক তরুণ। এ ছাড়া, ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ১০ জনসহ এসব সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ৩৩ জন। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
জামালপুর : সদর উপজেলার গোপালপুর এলাকায় গত মঙ্গলবার গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রোকন (২৮) নামে এক তরুণ নিহত ও তার বাবাসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, নিহত রোকনের বাবা আবদুর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী লোকমান হোসেন ও তার ছেলে লিপন, শিপনের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ওই জমিতে গাছের ডাল কাটতে গেলে রোকন ও তার বাবার ওপর প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে বাবা-ছেলেসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাতে রোকন মারা যান। জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার বলেন, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ : দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে লাখাই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে। নিহত ব্যক্তির নাম জহিরুল ইসলাম (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের কারি আবু সিদ্দিকের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মোড়াকরি ইউনিয়নের বর্তমান মেম্বার হিরা মিয়ার সঙ্গে সাবেক মেম্বার মুজিবুর রহমানের বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে।
বুধবার সকাল ১০টায় উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন জহিরুল। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফরিদপুর : ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পুখুরিয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হারুন মোল্লা ও করিম মাতুব্বরের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।