সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

শেরপুরে সেতুতে উঠতে চাঁদা দিতে হয় নেতাকে

শেরপুরের ব্রহ্মপুত্র নদের সেতুতে উঠতে শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদককে টাকা দিতে হয় বলে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকরা। গতকাল সোমবার দুপুরে শতাধিক চালক উপজেলার নন্দীর বাজারে সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। চালকদের দাবি, শেরপুর জেলা অটো টেম্পো, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে জোর করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে ।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, অস্থায়ী স্ট্যান্ডে অটোরিকশার চালকদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছে চক্রটি। সংবাদ সম্মেলনে চালকরা বলেন, শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে গাড়িপ্রতি ১৫ দিনের জন্য ১৬শ করে টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া, বকসীগঞ্জ থেকে আসা প্রতিটি সিএনজি থেকে প্রতিদিন ৫০ টাকা, শেরপুরের ব্রহ্মপুত্র ব্রিজের দক্ষিণাংশের সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে ৪০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এই নিয়ম যারা মানতে না চায় তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয় ব্যবস্থা। চাঁদা না দিলে গাড়ি স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে না দেওয়াসহ শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। আর প্রতিবাদ করলে হুমকি দেন ও ভয়ভীতি দেখান আলাল উদ্দিন ও তার সহযোগিরা।

শেরপুর জেলা অটো টেম্পো রিকশা সিএনজিচালিত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াজ করোনি বলেন, নানাভাবে এই চাঁদাবাজি বন্ধের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সাধারণ সম্পাদকের খামখেয়ালিপনায় চাঁদাবাজি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংগঠন থেকে চাঁদাবাজি দূর করতে হবে।

এ ব্যাপারে আলাল উদ্দিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শুধুমাত্র সিরিয়াল ঠিক রাখার জন্য প্রতি গাড়ি থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হয়। ব্রিজ এলাকায় স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষ বিরাজমান। আমি আসলে গ্রুপিং-এর শিকার। এছাড়াও কমিটিকে কেন্দ্র করে মামলা চলমান বলেও তিনি জানান।