পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানকে তোষাখানা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও যেই আল–কাদির ট্রাস্ট মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই মামলায় রিমান্ডের রায় আপাতত স্থগিত করেছে আদালত। বুধবার (১০ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
মঙ্গলবার (০৯ মে) ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সামনে থেকে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে দেশটির আর্থিক অপরাধ সংক্রান্ত জাতীয় ব্যুরো (এনএবি)। এদিন পিটিআই চেয়ারম্যান তার বিরুদ্ধে নথিভুক্ত একাধিক এফআইআরের জামিন চাইতে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে রেঞ্জার্সকর্মীরা তাকে হেফাজতে নেয়।
পরে ওইদিন রাতেই ইমরান খানকে ইসলামাবাদ পুলিশ লাইনসে বিচারকদের সামনে হাজির করা হয়। সেখানে তার জন্য অস্থায়ী আদালত বসে।
জিও নিউজ জানিয়েছে, এনএবি ১৪ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিল। তবে আদালত তাদের রিমান্ডের এই রায় আপাতত স্থগিত রেখেছে। অর্থাৎ এখনই ইমরান খানের রিমান্ডের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসছে না। অন্যদিকে দ্য ডন জানিয়েছে, বুধবার অতিরিক্ত ও জেলা দায়রা জজ হুমায়ুন দিলাওয়ারের সভাপতিত্বে তোশাখানা মামলার শুনানি হয়।
প্রসঙ্গত, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সরকারপ্রধান হিসেবে পাওয়া উপহার রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের করা এই মামলা তোশাখানা মামলা হিসেবে পরিচিত। গত বছর অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর হওয়া এই মামলা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।