নাটোর নাগরপুর আড়াইহাজার

ব্যবসায়ী নৈশপ্রহরী ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নৈশপ্রহরীর, টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দোকানির এবং নাটোরে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) : আড়াইহাজারে কালিবাড়ী বাজার এলাকায় বাজারের পার্শ্ববর্তী ডোবা থেকে নৈশপ্রহরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে সংবাদ পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। নিহত মকবুল হোসেন (৫০) উপজেলার ধন্দী গ্রামের তাইজুদ্দিনের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী রেনু বেগম জানান, মকবুল তার শ্বশুরবাড়ি উপজেলার বড় বিনাইরচর গ্রামে সপরিবারে বসবাস করতেন এবং পার্শ্ববর্তী কালিবাড়ী বাজারের নৈশপ্রহরী ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে মকবুল ডিউটির কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর শুক্রবার সকালে রেনু বেগম লোক মারফত জানতে পারেন তার স্বামীর লাশ বাজারের পার্শ্ববর্তী ডোবায় পড়ে আছে।

আড়াইহাজার থানার ওসি মুহাম্মদ ইমদাদুল হক তৈয়ব বলেন, ঘটনাটি হত্যা কি না তা ময়নাতদন্তের আগে বলা যাচ্ছে না। এটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত একটি ইউডি মামলা নেওয়া হয়েছে। 

নাটোর : স্বপ্না খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের চকরামপুর এলাকা থেকে ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বপ্না নলডাঙ্গা উপজেলার পাটুল হাপানিয়া গ্রামের মোতালেব হোসেনের মেয়ে এবং শহরের চকরামপুর এলাকার রনি সোনারের স্ত্রী।

স্বপ্নার পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে।

নাটোর সদর থানার ওসি নাছিম আহমেদ জানান, দুই বছর আগে স্বপ্নার সঙ্গে রনি সোনারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অর্থনৈতিকসহ নানাবিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলে আসছিল।

টাঙ্গাইল : নাগরপুরে পা বাঁধা ও গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় ইফসুব মিয়া (৬০) নামের এক দোকানির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার পংবাইজোড়া বাজারের অদূরে পুষ্টকামরি সালামের শ্যালোমেশিন ঘরের পাশে লাউ ঝাংলা থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। ইফসুব মামুদনগর ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের ইদ্দিস মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসীর ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় ইউসুব। সারা দিন পংবাইজোড়া বাজারে তার নিজ দোকানে বেচাকেনা করেন। বিকেল পর্যন্ত দোকানে তাকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে আশপাশের দোকানিরা। পরদিন গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে তার লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

নাগরপুর থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পা বাঁধা থাকায় এবং লাশের অবস্থা দেখে বিষয়টি সন্দেহ হচ্ছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বলা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।