বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ ও ভিক্টোরিয়া প্লজেন। ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ, বার্সেলোনা পাঁচবারের শিরোপাজয়ী।
ইন্তার মিলানের গ্রুপটাকে তাই বলা হয়েছিল মৃত্যুকূপ। বায়ার্নের কাছে হার দিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের। গ্রুপে হয়েছিল দ্বিতীয়। সেই ইন্তার ১৩ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে। আর মাত্র এক ধাপ। ফাইনালটা পাড়ি দিতে পারলেই ইউরোপসেরা! ২০০৯-১০ সালে একমাত্র ও শেষবার যেমনটা হয়েছিল তারা।
কোচ সিমোন ইনজাঘি জানিয়েছেন ফাইনাল পর্যন্ত উঠে আসার পেছনে বিশ্বাসের কথা। ইন্টারের খেলোয়াড়রা নিজেদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন, ‘স্বপ্নপূরণ হলো। তবে আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম যে পারব। এটা একটা অসাধারণ যাত্রা।’ ১০ জুন ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক স্টেডিয়ামে ইন্তারের প্রতিপক্ষ গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদ-ম্যানসিটি আরেক সেমিফাইনাল হয়ে গেছে। সান সিরোতে সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ছিল এসি মিলানের ‘হোম’ ম্যাচ। যেখানে দাপটের সঙ্গে জিতে এগিয়ে গিয়েছিল ইন্টার। একই মাঠে মঙ্গলবার নিজেদের ‘হোম’ ম্যাচে সিমোন ইনজাঘির দল এতটা দাপট দেখাতে না পারলেও আসল কাজটা ঠিকই করে গেছে, রক্ষণ সামলেছে দারুণভাবে। মিলান সমর্থকরা তারপরেও হয়তো আশায় ছিলেন, যেকোনো সময় একটা গোলেই পাল্টে যেতে পারে ম্যাচের রং। সেই গোলটা হলো ম্যাচের ৭৪ মিনিটে, তবে মিলান নয়, গোলটা দিয়েছে ইন্তার। রোমেলু লুকাকুর সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে দারুণ এক শটে ইন্তারকে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লাওতারো মার্তিনেজ। মিলানের আশা আসলেই ওখানেই শেষ। মিনিট দুয়েক পরে মার্তিনেজ আরও একটা গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু সেটা কোনোরকমে ঠেকিয়ে দেন মিলান গোলরক্ষক মাইক মাইনান।
এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এ নিয়ে চারবার নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারাল ইন্তার মিলান। এর আগে এমন কীর্তি আরও একবার করেছিল ইন্তার, তবে তা ৪৯ বছর আগে।