পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটে গরু, ছাগল কেনার পর ‘হাসিল’ আদায় বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন।
এতে স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির হাটে ট্যাক্স/ হাসিল বা অন্য কোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এ মর্মে রুলের আরজি জানানো হয়।
এ ছাড়া রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্যাক্স বা হাসিলের নামে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশনা চেয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী সংসদে প্রণীত আইন ব্যতীত কোনো ট্যাক্স বা হাসিল নেয়া যাবে না। কিন্তু ঈদুল আজহার আগে পশুর হাটগুলোতে ইজারার নামে স্বেচ্ছাচারী আচরণ করা হয়। শতাংশের হিসেবে খেয়ালখুশি মতো হাসিল আদায় হয় যা বেআইনি। শুধু তাই নয়, ইজারার নামে নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের খবর আসে। সরকার চাইলে ইজারা পদ্ধতি বন্ধ করে দিতে পারে। সাধারণভাবে আমরা যেভাবে কেনাকাটা করি পশুর হাটেও ইজারা ও হাসিল বাতিল করে সে ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে।’
আইনজীবী জানান, আগামী সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট একটি বেঞ্চে আবেদনটি কার্যতালিকায় আসলে শুনানি হবে।