আবাসিক ভবন ঘেঁষে ৩৩ হাজার ভোল্টের যাওয়া-আসা

উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর বন্দরের একটি বহুতলা ভবন ঘেঁষেই পল্লী বিদুৎ ৩৩ হাজার ভেল্টের লাইনের খুঁটি থাকার কারণে ওই ভবনের মধ্যে বসবাসকারী শত শত মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের খুঁটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিকবার লিখিত আবেদন করলেও কোনো সুফল পাননি ভবন মালিক। ফলে ওই ভবনে বসবাসকারীরা ঝুঁকি নিয়ে দিন পার করলেও উজিরপুর পল্লী বিদুৎ কর্তৃপক্ষ নূরব ভুমিকা পালন করছে।

ভবন মালিক শিকারপুর বাজার কমিটির সভাপতি মো. হেমায়েত মুন্সী জানান, তার মালিকানাধীন পুলিশ ক্যাম্পের পাশেই মুন্সী সুপার মার্কেটের ভবন ঘেঁষেই বৈদ্যুতিক খুঁটি থাকার কারণে ভবনের একটি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের শত শত মানুষ তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে বাস করছেন। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

ভবনে বসবাসকারী টাইলস দোকানি মাহাবুবুল আলম জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করছেন। একাধিকবার বিদুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি।

এদিকে নবনির্মিত শিকারপুর সরকারি মাছের স্টলের বহুতলা ভবনের মধ্যেই রয়েছে বিদুৎ লাইন। ভবন নির্মাণকারী ঠিকাদার বরুণ মিত্র বলেন, একধিকবার পল্লী বিদুৎ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা ভবনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার সরানোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্মাণ কাজ শেষ করলেও ভবনের মধ্যেই রয়েছে ৩৩ হাজার ভেল্টের তার। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

পল্লী বিদ্যুৎ উজিরপুর জেনাল অফিসের ডিজিএম শাহিন মাহমুদ বলেন, তিনি উজিরপুরে নতুন যোগদান করেছেন। তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। সরোজমিনে লোক পাঠিয়ে ত্রুটি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।