জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে ফিলিস্তিনের ২ লাখ পরিবার। আগামী জুনের মধ্যে এ সহায়তা বন্ধ হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি ডব্লিউএফপি।
১১ মে এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়ে ডব্লিউএফপি বলেছে, এ সংখ্যা জতিসংঘের খাদ্য সহায়তার আওতায় থাকা মোট সুবিধাভোগী ফিলিস্তিনের ৬০ শতাংশ। এ সহায়তা বন্ধের কারণ হিসেবে গুরুতর অর্থ সংকটকে দায়ী করেছে সংস্থাটি।
রবিবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এই তহবিল সংকট এরইমধ্যে ডব্লিউএফপিকে এ মাসের প্রায় ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা কমাতে বাধ্য করেছে। এর মধ্যে যদি নতুন অর্থ সহায়তা না পাওয়া যায়, তাহলে আগামী আগস্টের মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজা ভূখণ্ডের সহায়তা কার্যক্রমও বন্ধ করতে বাধ্য হবে সংস্থাটি।
ফিলিস্তিনের ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি এবং কান্ট্রি ডিরেক্টর সামের আব্দেল জাবের আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘বিপর্যয়কর এই সময় মরিয়া পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আমাদের হাতে এখন যে অল্প ত্রাণ সহায়তা রয়েছে তা ভাগ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। যাতে সবচেয়ে প্রয়োজন থাকা পরিবারেগুলোর মধ্যে আমরা তা বন্টন করতে পারি। এই খাদ্য সহায়তা না পেলে পরিবারগুলো অনাহারে থাকবে।’
এই প্রতিনিধি আরও জানান, এ বছরের শেষ নাগাদ ফিলিস্তিনে এ খাদ্য সহায়তা চালু রাখতে জরুরিভিত্তিতে ডব্লিউএফপির ৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।
অধিকৃত গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপনের সঙ্গে লড়াইরত এই ফিলিস্তিনিদের এখন বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন জাতিসংঘের এই খাদ্য সহায়তা।
এ দুই অঞ্চলের এই পরিবারগুলো ডব্লিউএফপি থেকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে প্রতি মাসে ১০৮ মার্কিন ডলারের একটি করে ভাউচার পায়। যা শিঘ্রই বন্ধ হতে যাচ্ছে।