জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, বার্ষিক উন্নয়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা যে চমক দেখানো হয়েছে তা উচ্চাভিলাষী, বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
তিনি বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ন্যূনতম ২ হাজার টাকা কর ধার্য অনৈতিক সিদ্ধান্ত।
শুক্রবার (২ জুন) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব পর্যালোচনা তুলে ধরেন তিনি।
রাজস্ব, ব্যাংক খাত, মুদ্রাস্ফীতি, রপ্তানি, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও ডলার সংকটসহ নানা কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে বলেও জানান তিনি।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর কথা আমরা বলেছিলাম। সীমারেখা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ করা হয়েছে, যা ভালো দিক। তবে ৩৮টি সরকারি সেবা নিতে গিয়ে যে সেবাগ্রহীতার ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করতে হবে এবং আয় যাই হোক, দুই হাজার টাকা কর দিতে হবে, সেটা আমাদের কাছে অবিবেচনা প্রসূত মনে হয়েছে। এ ধরনের কর নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বোঝা হয়ে যাবে। এই দুই হাজার টাকা ন্যূনতম কর তুলে দেওয়া উচিত বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমরা যদি বৈদেশিক আয়ের দিকে তাকায় তাহলে দেখব রেমিট্যান্স নিম্নমুখী। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও কিন্তু নিম্নমুখী। বৈদ্যুতিক এবং জ্বালানি খাতে ব্যাপক একটা ঘাটতি দেখা গেছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বাজেটে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পালনের আভাস স্পষ্ট বলেও মন্তব্য করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।