সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে বিজেএস-ইএমকের ফেলোশিপ

সাংবাদিকতা পেশায় থাকা তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে ‘উন্নত সাংবাদিকতার জন্য প্রয়োজনীয় কর্মশালা’ শিরোনামে প্রথমবারের মতো একটি ফেলোশিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার (বিজেআইএম) একটি অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং অ্যাসেটস জার্নালিজম স্কুল (বিজেএস)।

৪০ জন সাংবাদিকের জন্য তিন মাস ব্যাপী এই ফেলোশিপ কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ঢাকার এডওয়ার্ড মারো কেনেডি (ইএমকে) সেন্টার।

আয়োজকরা জানান, অত্যন্ত কঠোর ও নিরপেক্ষ যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে ফেলোশিপের জন্য সাংবাদিকদের নির্বাচিত করা হয়েছে। ফেলোশিপের জন্য বাছাইকৃত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিবেদক, সহ-সম্পাদক, ফটোসাংবাদিক এবং মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকরা। এই ফেলোশিপের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি পেশাদার সাংবাদিকের বহুমুখী কর্মপ্রতিভা শাণিত করে তোলা।

সাংবাদিকরা এই কর্মশালায় সাতটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে মোবাইলফোন সাংবাদিকতা, গল্পবলা ও সংবাদ উৎস সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, সংবাদ নীতি ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, দীর্ঘলেখনী সাংবাদিকতা, ভুয়া নিউজ ও ভুল তথ্য খুঁজে বের করার সাধারণ কিছু নিয়মাবলী, বহুমুখী সাংবাদিকতা ও প্রতিকূল পরিবেশে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ।

এই কর্মশালায় প্রশিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন এএফপি ব্যুরো প্রধান শফিকুল আলম, প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রোজিনা ইসলাম, আল-জাজিরা প্রতিনিধি ফয়সাল মাহমুদ, এএফপি ফ্যাক্ট চেক সম্পাদক কদরউদ্দিন শিশির, ডিডব্লু একাডেমি প্রশিক্ষক মাকসুদা আজিজ, পুলিৎজার জয়ী একমাত্র বাংলাদেশি সাংবাদিক মোহাম্মদ পনির হোসেন এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্যাম জাহান।

ইএমকে সেন্টার প্রদত্ত স্মল গ্র্যান্ট ২০২২-২৩ বিজয়ী হয়ে বিজেএস আক্ষরিক অর্থেই দেশের সাংবাদিকতা বিকশিত করে তোলার উদ্যোগে এই ফেলোশিপ পরিচালনা করছে।

বিজেএসের প্রধান প্রশিক্ষক স্যাম জাহান বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ প্রশিক্ষকদের দ্বারা পরিচালিত এই ধরনের ফেলোশিপ এবং প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামগুলি আসলেই সহসা দেখা যায় না। এটি আমাদের ফেলোদের জন্য তাদের দক্ষতা বাড়াতে এবং আরও ভাল সাংবাদিক হওয়ার একটি দুর্দান্ত সুযোগ হবে। আমরা আশা করি ভবিষ্যতেও এই ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে পারব।’

এই ফেলোশিপে অংশগ্রহণকারীরা হলেন- মো. সাহাবীর মিয়া, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আবদুল্লাহ আল জোবাইর, ঝুমুর সাহা, মারজিয়া হাশমি মম, নাসিমুল আহমেদ শুভ, সাইমুন মুবিন, মনিরুজ্জামান, সবুজ মাহমুদ, ফারিজা সাবরিন, রাফিয়া খানম চৌধুরি, ফৌজিয়া সুলতানা, শরীফা সুলতানা, ইফফাত জাহান, ফারহানা হক, মো. হেদায়েত উল্লাহ, মো. আরশাদ আলী, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, গোলাম রাব্বানি, মো. মিরাজ হোসেন, শেখ শাহরুখ ফারহান, নাজমুস সাকিব, মো. মিনহাযুল আবেদিন রিয়াজ চৌ., এম এম হাশমি, নায়েম শান, মো. তানজিল আহমেদ, মো. ওসমান গণি, মো. তাজনুর ইসলাম, তাসলিমুল আলম তৌহিদ, শোয়েব আব্দুল্লাহ, মাহফুজুর রহমান মানিক, স্টেফান রোজারিও, নূর মোহাম্মদ, অমিত বণিক, মো. আসাদুজ জামান, হাসান আল মানজুর, মো. মারিফুল ইসলাম, ক্যারি আশীর্বাদ বিশ্বাস ও ইয়াসির আরাফাত।