পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মধ্য নওমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফয়েজকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার স্কুলে গিয়ে একটি গাছে ওঠার অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়। মারধরের শিকার ওই ছাত্রকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ফয়েজের ভাষ্য মতে, বৃহস্পতিবার সে স্কুলে গিয়ে একটি গাছে ওঠে। এ কারণে তাকে গাছ থেকে নামিয়ে বেধড়ক কিল, ঘুষি, লাথিসহ লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী কাম দপ্তরি রফিকুল ইসলাম। ঘটনার পর সারা দিন বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেছে সে। বিকেলে রফিকুল স্থানীয় এক ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। ফয়েজের বোন রোজিনা বেগম বলেন, ‘আমার ভাইকে নির্মমভাবে মারধর করে আটকে রাখেন রফিক। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
তবে রফিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্কুলে এসে উঁচু একটি গাছে উঠেছে ফয়েজ। সে গাছ থেকে পড়ে গেলে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতো মনে করে আমি বকাঝকা করে গাছ থেকে নামিয়ে সামান্য একটা থাপ্পড় দিয়েছি। একটু শাসন করেছি।