পলিথিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় সেল গঠনের দাবি

দেশে প্লাস্টিক ব্যাগের উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা বন্ধ হচ্ছে না। প্রতিদিন ১০০টি কারখানায় ১ লাখ ৪০ হাজার প্লাস্টিক ব্যাগ উৎপাদিত হয়। এসব প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহারের পরিমাণও খুবই কম। ফলে একদিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে মাটির উর্বরতা, তেমনি ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ। প্লাস্টিক উৎপাদন ও দূষণরোধে সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ আইনের সফল প্রয়োগের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সমন্বয়ে সেল গঠন করার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।

গতকাল রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘পলিথিন-প্লাস্টিক দূষণে বিপন্ন বাংলাদেশ : করণীয় ও প্রতিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এ কথা বলেন।

সভায় মূল প্রবন্ধে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদ বলেন, প্লাস্টিক উৎপাদন, ব্যবহার করা বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য মানব স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী ঝুঁকি তৈরি করছে। নদীর তলদেশে জমে থাকা প্লাস্টিকের দ্বারা কাটার আটকে যাওয়া এবং প্লাস্টিক চুষে বারবার পাম্পের ব্যর্থতার কারণে বুড়িগঙ্গা নদীর ড্রেজিং ব্যর্থ হয়েছে।

বাপার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন, এসডুর হেড অব প্রোগ্রাম মনোয়ারুল ইসলাম, স্থপতি ইকবাল হাবিব, বাপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সভায় বক্তব্য দেন।