নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে কোরবানির জন্য কেনা মহিষ ঈদের আগের দিন রাতে বাড়ি থেকে রশি ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। সেটিকে ধরতে গেলে সে এলাকার ৩/৪ জনকে গুঁতা দিয়ে আহত করে বনের ভেতর চলে যায়। পরে রাতভর চেষ্টা করে ধরতে না পেরে পরদিন পুলিশের সহযোগিতা নিলে পুলিশ মহিষকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশের ছোড়া গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে শান্ত মিয়া (২৪) নামে এক যুবকের শরীরে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ যুবক শান্ত এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
শুক্রবার (৩০ জুন) দুপুরে উপজেলার দুপ্তারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ শান্ত উপজেলার দুপ্তারা এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, দুপ্তারা এলাকায় স্থানীয় এক বিক্রেতা মহিষ বিক্রির জন্য এলাকায় নিয়ে আসে। কালো রঙের মহিষটি শুক্রবার অতর্কিতভাবে স্থানীয় লোকজনের ওপর আক্রমণ করে ও বাড়ি ঘরে তাণ্ডব চালাতে থাকে। এলাকার লোকজন মহিষটি আটকাতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহলদল ওই এলাকায় যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন বিষয়টি তাদের অবহিত করে।
পরবর্তীতে এসআই শহিদুল ইসলাম পাগলা মহিষটিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মহিষটির পেছনে থাকা যুবক শান্তর পেটের ডান পাশে লাগে।
পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয়রা শান্তকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে আড়াইহাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা যায়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আড়াইহাজার থানার ওসি মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব গণমাধ্যমকে বলেন, মহিষটি বর্তমানে আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা চনপাড়া এলাকায় বনের ভেতর ঘোরাফেরা করছে।