দলীয় ১৯৩ রানে দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে ফিরলেন জনি বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের তখন ১৭৮ রান চাই, হাতে মাত্র ৪ উইকেট। এর আগ পর্যন্ত ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার লর্ডস টেস্ট দুলছিল, বলা যায় অজিরাই এগিয়ে ছিল। কিন্তু এরপর বেন স্টোকসের দাপট চলল মাঠ জুড়ে। চার-ছক্কায় ইনিংস খেলে ২০১৯-এর হেডিংলি লর্ডসে ফেরাতে বসেছিলেন স্টোকস। অল্পের জন্য পারেননি। ৩৭১ রানের লক্ষ্য থেকে ৭০ রান দূরে তিনি আউট হয়ে যাওয়ার পর আর পারেনি ইংল্যান্ড। তাদের ৩২৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪৩ রানের জয়ে অ্যাশেজে এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া ২-০ টেস্টে।
চার বছর আগের হেডিংলির ওই ম্যাচের সঙ্গে এই ম্যাচের মিলটা কাছাকাছি। সেবার ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ৩৫৯। স্টোকসের অপরাজিত ১৩৫ রানে মাত্র ১ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয় পায় ইংল্যান্ড। এবার ৩৭১ লক্ষ্য তাড়ায় স্টোকস করলেন ১৫৫। ওই ম্যাচের চেয়ে ২০ রান বেশি করলেও এবার হয়ে থাকলেন ট্র্যাজিক হিরো। ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি তার হাসি হয়ে থাকল না। স্টোকস ছাড়া বেন ডাকেট দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন। তিনটি করে উইকেট নেন জস হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক। ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৪১৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭৯ রান করে। ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে ৩২৫ রান করে।
ম্যাচ শেষে স্টোকসও জানালেন হেডিংলি ম্যাচের ভাবনা তার মাথায় ছিল, ‘অতীতে এরকম কিছুর অভিজ্ঞতা হওয়ায় সেই জায়গাটার দিকে তাকানো এবং একটা ম্যাচ পরিকল্পনা তৈরি করা সহজ ছিল। তবে এটা ঠিক আজ পরিকল্পনা আমাদের পক্ষে আসেনি। অস্ট্রেলিয়া একটা সময় ম্যাচ পরিকল্পনা বদলে ফেলে আমাকেও তাই সেভাবে খেলতে হয়েছে।’ অবশ্য ইংল্যান্ড অধিনায়ক জানালেন, ২-০-তে পিছিয়ে পড়লেও সিরিজে তাদের ফিরে আসার পথ শেষ হয়নি, ‘আমরা নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ৩-০-তে এবং পাকিস্তানের সঙ্গেও একই ব্যবধানে জিতেছিলাম। আমরা জানি এভাবে ফিরতে পারি।’