গ্রামীণ কল্যাণ

শ্রমিকদের লভ্যাংশ নিয়ে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ

গ্রামীণ কল্যাণ থেকে চাকরি হারানো ও চাকরির মেয়াদ শেষে অবসরে যাওয়া ১০৬ শ্রমিক কোম্পানির লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্য শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের এমন রায়ের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রুল নিষ্পত্তির নির্দেশনা এসেছে সর্বোচ্চ আদালত থেকে। আদেশের দুই মাসের মধ্যে রুল নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে ওই রায়ের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার ওপর চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেয়। গ্রামীণ কল্যাণের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হলেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

গ্রামীণ কল্যাণের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গত ৩০ মে হাইকোর্ট শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের রায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেয়। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের রায়ের ওপর ছয় মাসের স্থিতাবস্থা দেয়। পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে শ্রমিকপক্ষ। গত ২২ জুন চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়টি স্থগিত করে ১০ জুলাই (গতকাল) এ বিষয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠায়। এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি গতকাল আপিল বিভাগে শুনানিতে আসে। আদালতে শ্রমিকদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী গোলাম রব্বানী শরীফ। রিটকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন।