একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদনের সূত্রে ১০ বছর বয়সী শিশু মো. মুরাদ হোসেন সিফাতের জীবন সংগ্রামের খবর র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের নজরে আসে। শিশুটির পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ২ লাখ টাকা দিয়েছেন সিফাতকে। তার মাকেও হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। সিফাতের পড়ালেখা ও সংসার খরচও দেবেন র্যাবপ্রধান।
র্যাবের গণমাধ্যম শাখা থেকে বলা হয়েছে, টেলিভিশন চ্যানেলটিতে প্রচারিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু সিফাতের লেখাপড়ার পাশাপাশি পাহাড়সম দায়িত্ব নিয়ে তার অসুস্থ মা ও পরিবারের খরচ জোগানোর প্রাণান্ত চেষ্টার কথা। পরে র্যাব মহাপরিচালকের নির্দেশে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় র্যাব জানতে পারে, জীবনযুদ্ধে অদম্য এ শিশুর প্রকৃত জীবন সংগ্রামের মর্মস্পর্শী কাহিনি। যার দিন শুরু হয় ভোর ৫টা থেকে স্থানীয় বাজারের একটি চায়ের দোকানে প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে নাশতা পরিবেশন, চা বানানোসহ বিভিন্ন কাজের বিনিময়ে ৫০ টাকা পারিশ্রমিক লাভের মাধ্যমে। যা দিয়ে সে সংসারের বাজার, মায়ের ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরত। এরপর অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা শেষে পড়াশোনার জন্য আবার স্কুলে যেত।