নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল কম্পাউন্ডের পাঁচটি গাছ কেটে নিয়েছেন নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ ডা. শ্যামল কুমার পাল। ১০ ও ১৫ বছর বয়সী তিনটি মেহগনি ও দুটি রেইনট্রিগাছ কাটার ক্ষেত্রে মানা হয়নি কোনো নিয়মকানুন।
গত মঙ্গলবার সরেজমিনে গাছ কাটার সত্যতা পাওয়া গেছে। দেখা গেছে, কাটা গাছ খ- খ- করছেন শ্রমিকরা। এর আগে গত রবিবার দুুপুরের দিকে গাছগুলো কাটা হয়।
জানা যায়, নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের সম্পত্তি দেখভালের দায়িত্ব হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও জেলা সিভিল সার্জনের। অন্যদিকে, এই হাসপাতাল কম্পাউন্ডের আওতাধীন কয়েকটি দালানে গত চার বছর যাবৎ অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।
নেত্রকোনা সদর হাসপাতাপালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু সাঈদ মো. মাহবুবুর রহমান পাঁচটি গাছ কাটার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মামলা করার প্রস্তুতির কথা জানালে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ভুল হয়ে গেছে বলে জানায়। এখন প্রসিডিউর অনুযায়ী আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দেখি কী করা যায়।’
নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসিনুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো মিটিং বা রেজল্যুশন হয়েছে কি না, জানি না।’
গতকাল নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শ্যামল কুমার পালের কার্যালয়ে গেলে জানা যায়, তিনি অফিসে আসেননি। এর আগে ও পরে অনেকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি তা ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠিয়ে তার সাড়া মেলেনি।
জেলা সিভিল সার্জন সেলিম মিঞা বলেন, ‘গাছ কাটার পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমাকে অবগত করেছে। কাজটি সঠিক করেননি অধ্যক্ষ।’