গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বাসা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে রাজধানীর মহানগর প্রকল্পে নুরুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ।
এদিকে ডিবির যারা অভিযানে গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন মদ্যপ অবস্থায় গালাগালি করেন বলে অভিযোগ করেছেন নুর। ডিবির অভিযান চলাকালে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, মধ্যরাতে তার বাসায় ডিবি হানা দিয়েছে। পরে নুরের বাসার দরজা ভেঙে কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লাকে তুলে নিয়ে যান ডিবি সদস্যরা।
নুর ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, ‘আমার দুই মাস ও সাড়ে তিন বছরের ছোট দুটো বাচ্চা পুলিশের এই তাণ্ডবে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।’
এদিকে নুরের বাসায় অভিযানের সময় আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি বলে দাবি করেছেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছে। আমাদের পুলিশ তাকে বারবার বলেছে, আসামি দিয়ে দেন। আইনে বলা আছে যে, আসামি যার বাসায় থাকুক আমরা তাকে ধরে আনতে পারি। প্রয়োজনবোধে বলপ্রয়োগ করে আসামি আনতে পারি। আমরা আইনের ব্যত্যয় হয় এমন কিছু করিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাকে ধরে এনেছি তিনি একজন মামলার আসামি। তিনি ফেসবুকে, ইউটিউবে বিভিন্ন দলের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করেছেন। তার নামে মামলা রয়েছে।’
নুর অভিযানের সময় ডিবি সদস্যদের ওপর চড়াও হন অভিযোগ করে ডিবি প্রধান বলেন, ‘ভিপি নুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র। বাসায় যদি কোনো মামলার আসামি লুকিয়ে থাকে তবে তাকে বের করে দেওয়াই তার উচিত ছিল। সেটা না করে, উল্টো পুলিশের ওপর চড়াও হলেন। পুলিশকে গালিগালাজ করলেন। সরকারি কাজে বাধা দিলেন।’