খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, পাঠক। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন মাত্র। কিন্তু জিয়ার লোকজন সেটির ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে পাঠকের জায়গায় ঘোষক হিসেবে প্রচার করে ইতিহাসের মিথ্যাচার করে আসছেন।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে মোংলায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, খুলনা-মোংলা রেললাইন ও মাওয়া থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত ছয় লেনের রাস্তার কাজ চলছে জোরেশোরে। এ কাজ শেষ হলে মোংলা বন্দরের কর্মচাঞ্চ্যলতা আরও বেড়ে যাবে। বিএনপি-জামায়াতের আমলের মৃত মোংলা বন্দর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। চলমান এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী সংসদ নিবার্চনেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জয়ী করতে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
এছাড়া বিএনপি-জামায়াত যে ষড়যন্ত্র করছে তা রাজপথে থেকে মোকাবেলার জন্য স্থানীয় নেতা-কমীর্দের রাজনীতির মাঠ দখলে রাখার নিদের্শ দেন।
জাতীয় শোক দিবসের শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার হাই, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শেখ আব্দুস সালাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান জসিম, মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি শাহজাহান সিদ্দিকী, কৃষকলীগ নেতা ইদ্রিস ইমন, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম, মিঠাখালী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইস্রাফিল হাওলাদার, চিলা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন ও যুবলীগ নেতা সবুজ হাওলাদারসহ অন্যান্যরা।
শোক সভা শেষে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া করা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেও। শোক সভা ও দোয়া শেষে সকলের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়। শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা অংশগ্রহণ করেন।