রাজশাহীর বাগমারায় বিয়ের চার দিনের মাথায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে পাবনার ঈশ্বরদীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ময়না বেগম (৫২) নামে এক নারী খুন হয়েছেন। গত সোমবার রাতে পৃথক ঘটনা দুটি ঘটে।
রাজশাহীর বাগমারার বাসুপাড়া ইউনিয়নের সাইপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুর রাজ্জাক (৩১) ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। গ্রেপ্তার নিহতের স্ত্রী শাপলা খাতুন (১৮) মোহনপুর উপজেলার ধুরইল গ্রামের মো. শুকুরদীর মেয়ে।
বাগমারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, আবদুর রাজ্জাক একজন নির্মাণশ্রমিক। এর আগেও তার বিয়ে হয়েছিল। আগের স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর গত শুক্রবার পাশর্^বর্তী মোহনপুর উপজেলার শাপলার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শাপলারও এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। সকালে পরিবারের সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি বুঝতে পারলে পুলিশে খবর দেন।
ওসি আরও বলেন, ‘শাপলা পুলিশের কাছে একেকবার একেক কথা বলছেন। কখনো বলছেন তারা স্বামী-স্ত্রী বালিশচাপা দিয়ে খেলছিলেন। এতে রাজ্জাকের মৃত্যু হয়। আবার কখনো বলছেন, তার স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম ছিল, তাই রেগে গিয়ে বালিশচাপা দিয়েছেন।’
এদিকে পাবনার ঈশ্বরদীতে নিহত ময়না বেগম শহরের মশুড়িয়াপাড়ার কামারপাড়া এলাকার রেজাউলের স্ত্রী। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
পরিবার ও পুলিশ জানায়, ময়না গত ঈদুল আজহার সময় প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা বাকিতে পোশাক কেনেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত ৯টার দিকে বাগ্বিতণ্ডায় জাহাঙ্গীর ময়নার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে আহত ময়নাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।