খুব সহজেই ব্লুটুথ হ্যাকিং বা ব্লুবাগিং করা সম্ভব। হ্যাকাররা একটি নির্দিষ্ট সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে এতে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লুটুথযুক্ত ডিভাইসগুলোকে শনাক্ত করা সম্ভব এর সাহায্যে। এ ক্ষেত্রে ভিকটিমের ডিভাইসটি আগে কোনো নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল বা ভবিষ্যতে কোনো নেটওয়ার্কের সঙ্গে অটোমেটিক্যালি সংযুক্ত হবে হ্যাকাররা তাও দেখতে পায়।
যদি ব্যবহার না করেন তাহলে আপনার ডিভাইসের ব্লুটুথ অপশন ডিস্যাবেল বা অফ রাখুন, সবসময় এটি অন করে রাখবেন না। এ ছাড়া ফাইল ট্রান্সফারের জন্য এয়ারড্রপ বা নিয়ারবাই শেয়ারের মতো ফিচার কাজে লাগাতে পারেন।
ব্লুটুথ পরিষেবার অ্যাক্সেসেবিলিটি বা সেটিং সীমিত করুন। এতে করে ব্লুবাগিং এড়ানো যাবে। আপনার স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং ব্লুটুথ এনাবেল্ড কম্পিউটারে কোনো অ্যান্টিম্যালওয়্যার অ্যাপ ইতিমধ্যেই ইনস্টল করা আছে কিনা, তা নিশ্চিত করুন।
কারণ হ্যাকাররা আপনার ডিভাইসে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে, অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার অ্যাপ আপনার গোপনীয়তা এবং ব্যক্তিগত ডেটা তো রক্ষা করবেই, একই সময়ে এটি সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করতে এবং তা ব্লক করতেও সক্ষম হবে।