আফগানিস্তানে নারীসহ অন্যান্যদের গ্রেপ্তার ও আটকের সময় ১৬০০টির বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে তালিবান কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার জাতিসংঘ তালিবানকে আফগান বন্দিদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
দ্য ইউ এন এসিস্ট্যান্স মিশন ইন আফগানিস্তান (ইউএনএএমএ) তালিবান ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করার পর থেকে তাদের প্রথম প্রতিবেদনে বন্দিদের সঙ্গে আচরণের বিষয়টি নথিভুক্ত করেছে। তারা বলছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রায় অর্ধেক ছিল পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর অমানবিক বা অপমানজনক আচরণ বা শাস্তি।
প্রতিবেদনে দেশব্যাপী আটক ও কারাগারে পুলিশ জেনারেল ডিরেক্টরেট অব ইন্টেলিজেন্স (জিডিআই) দ্বারা নির্যাতন এবং অবমাননাকে ‘পদ্ধতিগত’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর তালিবান সরকারি আফগান গুপ্তচর সংস্থা জিডিআই-এর নাম পরিবর্তন করে। ইউএনএএমএ প্রায় ৬০ শতাংশ লঙ্ঘনের জন্য গুপ্তচর সংস্থাকে দায়ী করেছে।
২০২২ সালের ১ জানুয়ারি এবং ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ৩৪টি আফগান প্রদেশের মধ্যে ২৯টি জুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট করা হয়েছে। ইউএনএএমএ বলছে, তারা তালিবান হেফাজতে থাকা আফগান পুরুষ এবং নারীদের সঙ্গে ১৩০টির বেশি বিস্তারিত সাক্ষাৎকারসহ ৮০০টির বেশি মামলা যাচাইয়ের মাধ্যমে লঙ্ঘনগুলো নথিভুক্ত করেছে। তবে তালিবান ইউএনএএমএ-এর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তালিবান জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন পুলিশ বিভাগ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ২১টি মামলা শনাক্ত করেছে এবং সেগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।
সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা
আরও পড়ুন: সিগারেটের প্যাকেটে ১২ সোনার বিস্কুট!