ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকালে ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন জেলা পরিষদের সাত সদস্য।
জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোরদিম মোস্তাকিম মনির সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ নিজের এনজিওর কর্মকর্তাদের জেলা পরিষদে চাকরি দিয়েছেন। ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। দুস্থদের জন্য দেওয়া কম্বল, সেলাই মেশিন, সাইকেল ক্রয়ে অনিয়ম করে মোটা অঙ্কের টাকা লুট করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে গত পরিষদের সময়কালে টেন্ডার করা গাছের ঠিকাদারদের জিম্মি করে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন হারুন। মন্ত্রণালয়ের আদেশ উপেক্ষা করে খাল ও পুকুর একক সিদ্ধান্তে ইজারা দিয়ে সরকারি আইন ভঙ্গ করেছেন। এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো সদস্যের মতামত নেন না। বরং সাদা হাজিরা খাতায় সদস্যদের স্বাক্ষর নিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো রেজল্যুশন তৈরি করে রাজস্ব তহবিল থেকে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই প্রকল্প গ্রহণ এবং একই প্রকল্প বার বার দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।
লিখিত বক্তব্যে প্যানেল চেয়ারম্যান মোরদিম মোস্তাকিম মনির, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য অনিতা রানী বিশ^াস, আনোয়ারা খাতুন, মো. আলাউদ্দীন, জসিম উদ্দীন সেলিম, রাজিবুল করিম ও লিটন হোসেন স্বাক্ষর করেন।
জানতে চাইলে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে কিছু সদস্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কথা বলছেন।