কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের প্রথম আলো চরে একটি স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের যাতায়াতের জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে খালের ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছে। গতকাল সোমবার চরের আলোর পাঠশালা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সাঁকোটি তৈরি করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘোগাদহ ইউনিয়নের খামার নৌকাঘাট থেকে আলোর পাঠশালায় যাওয়ার পথে স্কুলের ১০০ গজ দূরে দুধকুমার নদের এ খালটি পড়ে। বর্ষা মৌসুমে খালটিতে দুই-তিন মাস পানি থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে না। দুই কিলোমিটার ঘুরে স্কুলে যেতে হয় তাদের। এ ছাড়া যাতায়াতের দুর্ভোগে পড়তে হয় স্থানীয় মানুষজনকেও। গ্রামের লোকজনের দেওয়া বাঁশ দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকোটি তৈরি করে।
আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, ‘ জনপ্রতিনিধিরা কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকোটি তৈরি করা হয়।’
ঘোগাদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মালেক সরকার বলেন, ‘সাঁকোর বিষয়ে কেউ আমার কাছে আসেনি।’