সুস্থ থাকুক আপনার হৃদয়

হৃদরোগ বললে হৃৎপিন্ডের অসুস্থতা বোঝায়। হৃদরোগকে দুই ধরনের। এক জন্মগত হৃদরোগ  জন্মের পর হৃৎপিন্ডের দেয়ালে ছিদ্র, ভাল্বের গঠনে ত্রুটিজনিত সমস্যা। এ ধরনের সমস্যা দেখা যায় ১ থেকে ২ ভাগ। দুই অর্জিত হৃদরোগ

বাতজ্বরজনিত, যাকে রিউমেটিক হার্ট ডিজিজ (জঐউ) বলা হয়। এটা হার্টের ভাল্বের ক্ষতি করে। অবশিষ্ট প্রায় ৯৭-৯৮% হৃদরোগই মূলত হার্টের নিজের রক্তনালির প্রতিবন্ধকতা বা ব্লকজনিত। সাধারণত হৃদরোগ বা হার্ট ডিজিজ বলতে রক্তনালির প্রতিবন্ধকতাজনিত হার্টের কষ্টকে বোঝায়, যাকে ইংরেজিতে হার্ট ব্লকেজ বা সিএডি (ঈঅউ) বা সিএইচডি (ঈঐউ) বলা হয়।

লক্ষণভেদে একে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

এঞ্জিনা (Angina) : এঞ্জিনা ২ প্রকার  ক. স্থিতিশীল (Stable)  এবং  খ. অস্থিতিশীল (Unstable)

হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack)

কী কারণে সিএডি হতে পারে?

নেতিবাচক দৃষ্টিভুল খাদ্যাভ্যাসধূমপান ও জর্দাউচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিসপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রমের অভাবঅতিরিক্ত ওজনবংশ ক্রমমানসিক বৈকল্য।

চিকিৎসা :

রক্ত পাতলা করার ওষুধ, যেমন ক্লোপিড, এসপিরিন ইত্যাদি।বুকের ব্যথা কমানোর ওষুধ, যেমন নিডোকার্ড, মেটাকার্ড ইত্যাদি।চর্বি কমানোর ওষুধ, যেমন স্ট্যাটিন গ্রুপ।রক্ত চাপের ও ডায়াবেটিসের ওষুধ।ব্লক কমানোর ওষুধ এবং ব্লক বাইপাস করানোর জন্য ইসিপি বা নেচারাল বাইপাস। বর্তমানে কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই হার্টের ব্লকের বাইপাস করা হয়। ডিটক্স করিয়ে হার্টের ব্লকের আকার কমানো হয়।মানসিক চাপ কমানো জন্য কাউন্সেলিং

যেমন :

আশাবাদী, আত্মতৃপ্তি অর্জনের জন্য আত্মিক অনুশীলন করা,

লোভ-লালসা সংযত করা,

হিংসা-বিদ্বেষ, রাগ-অহংকার দূর করার অনুশীলন করা,

প্রতিযোগিতা-প্রতিহিংসা, পরশ্রীকাতরতা মানসিক ব্যাধি দূর করার অনুশীলন। সর্বোপরি সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করা। অর্গানিক খাবার-দাবার খাওয়া। তাহলেই সুস্থ থাকবে হার্ট।