রান্না করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত খাবারে বেশি লবণ পড়ে যেতে পারে। আর অতিরিক্ত লবণে খাবার বিস্বাদ হওয়া স্বাভাবিক। যদি লবণ বেশি পড়ে যায় তাহলে খাওয়া যায় না। তাই লবণ বেশি হলে কীভাবে খাবারটা স্বভাবিক করবেন জেনে নিন।
যদি হাতে সময় কম থাকে তবে রান্নায় লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন সহজেই তাহলো পুনরায় পানি দিয়ে। তরকারিতে ঝোল বা স্যুপে লবণ খুব বেশি হয়ে গেলে তাতে আরও একটু পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এতে কিছুটা হলেও রান্নার স্বাদ থাকবে।
অতিরিক্ত লবণের ভাব কাটাতে লেবুর রস, ভিনেগার বা টমেটো সসও ব্যবহারও করতে পারেন। এতে খাবারের স্বাদও বাড়বে, আর নোনা ভাবও অনেকটা কেটে যাবে।
চিনি খাবারের অতিরিক্ত লবণভাব কমায়। চিনি অথবা মিষ্টি জাতীয় কোনো উপাদান এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন। অল্প পরিমাণে চিনি, মধু বা এমনকি গাজরের মতো মিষ্টি সবজিও ব্যবহার করা যাবে।
আলু ঝোলের লবণাক্ত ভাব কমাতে ব্যবহার করতে পারেন আলু। কাঁচা আলুর খোসা ছাড়িয়ে ঝোলে দিয়ে মিনিট পনেরো ফুটিয়ে নিন। তারপর ঝোল থেকে আলু তুলে ফেলুন। চাইলে রেখেও দিতে পারেন। আলু কিছুটা হলেও লবণ শুষে নেবে।
তরকারিতে খুব বেশি লবণ হয়ে গেলে আটা মাখিয়ে ছোট ছোট লেচি করে ঝোলে দিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক ঝোল ফুটে গেলে আটার লেচিগুলো ঝোল থেকে তুলে ফেলে দিন। এতে তরকারির নোনতা ভাব কেটে যাবে।
তরকারির নোনতা ভাব কাটাতে পারে ফ্রেম ক্রিম। তাই কোনো রান্নায় লবণ বেশি পড়ে গেলে তাতে কিছুটা ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে দিন। এতে নোনা ভাব সহজেই কেটে যাবে। বাড়িতে ক্রিম না থাকলে টক দইও দিতে পারেন। এ ছাড়া অল্প একটু দুধও দিয়ে দিতে পারেন। এতে লবণ ব্যালেন্স হয়ে যাবে, আর রান্নার স্বাদও বাড়বে। ভাজি বা ঝোলবিহীন তরকারিতে লবণাক্ত স্বাদ কমাতে দুধ খুবই কার্যকরী। দুধ তরকারিতে ঢেলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। এতে লবণাক্ত ভাব কমবে।
লবণ কমাতে পেঁয়াজও ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা পেঁয়াজ দুই টুকরা করে তরকারিতে দিয়ে ফুটিয়ে নিন খানিকক্ষণ। কয়েক মিনিট পর তুলে ফেলুন তরকারি থেকে। এতে অতিরিক্ত নোনাভাব কেটে যাবে।